2’s complement

রাফ খাতা

চলো যে কোনো সংখ্যার 2-এর পরিপূরক ধাপে ধাপে বের করি

10

কলাম অনুযায়ী হিসাব ও যাচাই
কলামসংখ্যা1-এর পরিপূরকযোগহিসাব2-এর পরিপূরক

প্রচলিত ৪টি সংখ্যা পদ্ধতির মধ্যে পারস্পারিক মোট ১২ টি রুপান্তর সম্ভব। তবে মাত্র ৩টি রুপান্তরের নিয়ম শিখলেই আমরা বাকি রুপান্তরগুলো করতে পারবো। তবে কি সেই ৩টি নিয়ম?

 

     ১। ডেসিমাল থেকে নন-ডেসিমাল

     ২। নন-ডেসিমাল থেকে ডেসিমাল

     ৩। নন-ডেসিমাল পারস্পারিক রুপান্তর

ডেসিমাল থেকে নন-ডেসিমাল

একটি সংখ্যার দুইটা অংশ থাকতে পারে। পূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশ। এই দুই অংশকে পৃথক করে দশমিক বিন্দু বা রেডিক্স পয়েন্ট।

ডেসিমাল থেকে বাইনারীঃ

পূর্ণ সংখ্যার ক্ষেত্রে করণীয় ধাপগুলোঃ

২-এর পরিপূরক গঠনের গুরুত্ব নিচে বর্ণনা করা হলো-

 

১। প্রকৃত-মান ও 1-এর পরিপূরক পদ্ধতির মত +0 ও -0 এর জটিলতা নেই। 

২। যোগ ও বিয়োগের জন্য একই বর্তনী ব্যবহার করা যায়।

৩। সরল প্রকৃতির বর্তনী প্রয়োজন হয়।

৪। চিহ্নযুক্ত সংখ্যা এবং চিহ্নবিহীন সংখ্যা যোগ করার জন্য একই বর্তনী ব্যবহার করা যায় 

 

৫। বর্তনী তৈরিতে খরচ কম পড়ে ও দ্রুত গতিতে কাজ করে।

 

উদাহরণঃ ডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির 26 -কে বাইনারীতে রূপান্তর করো। অথবা, (26)10=(?)2

ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে নিয়মটা ঠিক উল্টা।

২-এর পরিপূরক গঠনের গুরুত্বঃ 

২-এর পরিপূরক গঠনের গুরুত্ব নিচে বর্ণনা করা হলো-

 

১। প্রকৃত-মান ও 1-এর পরিপূরক পদ্ধতির মত +0 ও -0 এর জটিলতা নেই। 

২। যোগ ও বিয়োগের জন্য একই বর্তনী ব্যবহার করা যায়।

৩। সরল প্রকৃতির বর্তনী প্রয়োজন হয়।

৪। চিহ্নযুক্ত সংখ্যা এবং চিহ্নবিহীন সংখ্যা যোগ করার জন্য একই বর্তনী ব্যবহার করা যায় 

৫। বর্তনী তৈরিতে খরচ কম পড়ে ও দ্রুত গতিতে কাজ করে।

উদাহরণঃ ডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির .32 -কে বাইনারীতে রূপান্তর করো। অথবা, (.32)10=(?)2

এই একই নিয়ম মেনে ডেসিমাল থেকে অন্যান্য সকল সংখ্যা পদ্ধতিতে রুপান্তর করা যাবে। 

ডেসিমাল থেকে অক্টালঃ

উদাহরণঃ (283.356)10 = (?)8

ডেসিমাল থেকে হেক্সাডেসিমালঃ

উদাহরণঃ (5839.7253)10=(?)16