চলো যে কোনো সংখ্যার 2-এর পরিপূরক ধাপে ধাপে বের করি
| কলাম | সংখ্যা | 1-এর পরিপূরক | যোগ | হিসাব | 2-এর পরিপূরক |
|---|
প্রচলিত ৪টি সংখ্যা পদ্ধতির মধ্যে পারস্পারিক মোট ১২ টি রুপান্তর সম্ভব। তবে মাত্র ৩টি রুপান্তরের নিয়ম শিখলেই আমরা বাকি রুপান্তরগুলো করতে পারবো। তবে কি সেই ৩টি নিয়ম?
১। ডেসিমাল থেকে নন-ডেসিমাল
২। নন-ডেসিমাল থেকে ডেসিমাল
৩। নন-ডেসিমাল পারস্পারিক রুপান্তর
একটি সংখ্যার দুইটা অংশ থাকতে পারে। পূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশ। এই দুই অংশকে পৃথক করে দশমিক বিন্দু বা রেডিক্স পয়েন্ট।
২-এর পরিপূরক গঠনের গুরুত্ব নিচে বর্ণনা করা হলো-
১। প্রকৃত-মান ও 1-এর পরিপূরক পদ্ধতির মত +0 ও -0 এর জটিলতা নেই।
২। যোগ ও বিয়োগের জন্য একই বর্তনী ব্যবহার করা যায়।
৩। সরল প্রকৃতির বর্তনী প্রয়োজন হয়।
৪। চিহ্নযুক্ত সংখ্যা এবং চিহ্নবিহীন সংখ্যা যোগ করার জন্য একই বর্তনী ব্যবহার করা যায়
৫। বর্তনী তৈরিতে খরচ কম পড়ে ও দ্রুত গতিতে কাজ করে।
ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে নিয়মটা ঠিক উল্টা।
২-এর পরিপূরক গঠনের গুরুত্ব নিচে বর্ণনা করা হলো-
১। প্রকৃত-মান ও 1-এর পরিপূরক পদ্ধতির মত +0 ও -0 এর জটিলতা নেই।
২। যোগ ও বিয়োগের জন্য একই বর্তনী ব্যবহার করা যায়।
৩। সরল প্রকৃতির বর্তনী প্রয়োজন হয়।
৪। চিহ্নযুক্ত সংখ্যা এবং চিহ্নবিহীন সংখ্যা যোগ করার জন্য একই বর্তনী ব্যবহার করা যায়
৫। বর্তনী তৈরিতে খরচ কম পড়ে ও দ্রুত গতিতে কাজ করে।
এই একই নিয়ম মেনে ডেসিমাল থেকে অন্যান্য সকল সংখ্যা পদ্ধতিতে রুপান্তর করা যাবে।